
সুমন পল্লব, হাটহাজারী : চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। মাছ, মুরগি, ডিম ও কাঁচা সবজিসহ প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে একের পর এক দামের চাপ তৈরি হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের একাংশের অভিযোগ, বাজারের সরবরাহ, পাইকারি ক্রয়-বিক্রয় এবং খুচরা পর্যায়ের বেচাকেনায় একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ থাকায় প্রতিযোগিতামূলক বাজারব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
অভিযোগের তীর উপজেলার ইছাফুর, পৌরসদর বড় বাজার, সরকারহাট, চৌধুরী হাট, লালিয়ারহাট, বৌ বাজার, আমান বাজার, মদুনাঘাট বাজার ও মদনহাটসহ বিভিন্ন বাজারের দিকে। স্থানীয়দের দাবি, এসব বাজারে পণ্য সরবরাহ ও মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রভাবশালী কিছু ব্যবসায়ী বা চক্রের আধিপত্য রয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
১০০ টাকার লইট্টা মাছ ২২০ টাকা; ক্রেতার প্রশ্ন, বাড়তি টাকা যাচ্ছে কার পকেটে?
বাজারে গিয়ে ক্রেতাদের সবচেয়ে বড় অভিযোগ—পণ্যের দাম কেন এত দ্রুত বাড়ছে, তার স্পষ্ট উত্তর নেই। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কাঁচা লইট্টা মাছ, রুই মাছ, চিংড়ি, রূপচাঁদা, মুরগি, ডিম এবং বিভিন্ন ধরনের কাঁচা সবজির দামে অস্বাভাবিক ওঠানামা দেখা যাচ্ছে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, কোনো কোনো পণ্য এক বাজারে যে দামে বিক্রি হচ্ছে, অন্য বাজারে সেটির দাম আরও বেশি। আবার একই বাজারেও দোকানভেদে দামের পার্থক্য দেখা যায়। এতে সাধারণ ক্রেতারা যেমন বিভ্রান্ত হচ্ছেন, তেমনি প্রকৃত বাজারদর সম্পর্কে ধারণা পাওয়াও কঠিন হয়ে পড়ছে।
একজন ক্রেতার ভাষায়, ‘বাজারে ঢোকার আগে যে টাকা নিয়ে আসি, বের হওয়ার সময় দেখি প্রায় সব শেষ। কোন পণ্যের দাম কেন বাড়ল, তার হিসাব কেউ দিতে পারে না।’
আরেক ক্রেতা বলেন, মাছ-মাংসের পাশাপাশি এখন ডিম ও সবজির মতো সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের খাবারের উপকরণও নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। ফলে অনেক পরিবারকে প্রয়োজনের তুলনায় কম পণ্য কিনে সংসার চালাতে হচ্ছে।
মাছের বাজারেও অস্বস্তি :
হাটহাজারীর বাজারগুলোতে মাছের চাহিদা বেশি। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাঁচা লইট্টা, রুই, চিংড়ি ও রূপচাঁদাসহ বিভিন্ন মাছের দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, মাছের দাম নির্ধারণে পাইকারি বাজারের পাশাপাশি স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী ও আড়তদারের প্রভাব রয়েছে। জেলেদের কাছ থেকে বা উৎপাদন পর্যায় থেকে মাছ কত দামে আসে এবং আড়ত ও পাইকারি পর্যায়ে কত দামে বিক্রি হয় সেই হিসাব সাধারণ ক্রেতাদের কাছে অস্বচ্ছ।
ফলে ভোক্তাদের প্রশ্ন, উৎপাদক বা জেলেরা যে দাম পাচ্ছেন, তার তুলনায় বাজারে খুচরা দাম এত বেশি হওয়ার কারণ কী?
বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎপাদনস্থল থেকে ভোক্তার হাতে পৌঁছানো পর্যন্ত একাধিক স্তরের মধ্যস্বত্বভোগী থাকলে দাম বাড়তে পারে। তবে কোথাও কৃত্রিম সংকট বা যোগসাজশের মাধ্যমে দাম বাড়ানো হচ্ছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির বিষয়।
মুরগি-ডিমেও বাড়ছে চাপ :
মাছের পাশাপাশি মুরগি ও ডিমের বাজারেও দামের চাপ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের খাদ্যতালিকায় মুরগি ও ডিম গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এসব পণ্যের দাম বাড়লে সরাসরি পরিবারের খাদ্য ব্যয়ের ওপর প্রভাব পড়ে।
স্থানীয় ক্রেতাদের অভিযোগ, পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ার কথা বলা হলেও খুচরা বাজারে সেই বৃদ্ধির পরিমাণ অনেক সময় অস্পষ্ট থাকে। আবার দাম কমার সময় খুচরা বাজারে তার প্রভাব দ্রুত দেখা যায় না এমন অভিযোগও রয়েছে।
এ কারণে ক্রেতারা চান, পাইকারি ও খুচরা বাজারের মধ্যে দামের পার্থক্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হোক। একই সঙ্গে মুরগি ও ডিমের সরবরাহব্যবস্থায় কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হোক।
সবজির বাজারেও স্বস্তি নেই :
নিত্যপণ্যের তালিকায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় পণ্যগুলোর একটি কাঁচা সবজি। কিন্তু সেই সবজির বাজারেও স্বস্তি নেই বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।
স্থানীয় বাজারগুলোতে বিভিন্ন সবজির দাম প্রতিদিনই পরিবর্তিত হচ্ছে। কোনো কোনো পণ্যের দাম সামান্য কমলেও অন্য কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে। ফলে বাজারের মোট খরচ কমছে না।
ক্রেতাদের অভিযোগ, উৎপাদন এলাকা থেকে সবজি বাজারে আসার পর পরিবহন, শ্রমিক খরচ, আড়তদারি ও পাইকারি পর্যায়ের বিভিন্ন খরচ যুক্ত হয়। কিন্তু এর সঙ্গে যদি অতিরিক্ত মুনাফা বা কারসাজি যুক্ত হয়, তাহলে শেষ পর্যন্ত তার বোঝা গিয়ে পড়ে ভোক্তার ওপর।
নয় বাজার ঘিরে অভিযোগ :
হাটহাজারীর ইছাফুর, পৌরসদর বড় বাজার, সরকারহাট, চৌধুরী হাট, লালিয়ারহাট, বৌ বাজার, আমান বাজার, মদুনাঘাট বাজার ও মদনহাট—এসব বাজার স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন কেনাকাটার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারগুলোর বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রভাবশালী একটি চক্রের আধিপত্য রয়েছে। কোথাও পণ্য ওঠানো-নামানো, কোথাও দোকান বরাদ্দ, কোথাও ইজারা কিংবা কোথাও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের অর্থ আদায়ের বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগও শোনা যাচ্ছে।
তবে এসব অভিযোগের কোনটি সত্য এবং কোনটি ভিত্তিহীন তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক তদন্ত প্রয়োজন। অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তি বা ব্যবসায়ীকে দায়ী না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করাই হবে সঠিক পদ্ধতি।
‘সিন্ডিকেট’ শব্দটি এখন ক্রেতাদের মুখে মুখে :
বাজারে পণ্যের দাম বাড়লেই সাধারণ ক্রেতাদের মুখে এখন ‘সিন্ডিকেট’ শব্দটি শোনা যায়। তাদের ধারণা, কয়েকজন ব্যবসায়ী বা মধ্যস্বত্বভোগী যদি বাজারের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করেন, তাহলে তারা নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করে দাম বাড়াতে পারেন।
তবে অর্থনীতির দৃষ্টিতে শুধু দাম বেশি হলেই কোনো বাজারে সিন্ডিকেট রয়েছে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। বাজারে সিন্ডিকেট বা কারসাজির অভিযোগ প্রমাণ করতে হলে সরবরাহ, ক্রয়মূল্য, বিক্রয়মূল্য, মজুত, ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং বাজার নিয়ন্ত্রণের তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।
এ কারণেই স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হোক। প্রকৃতপক্ষে কোনো চক্র যদি কৃত্রিমভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
মূল্যতালিকা থাকলেও মানছেন না এমন অভিযোগ :
বাজারে পণ্যের মূল্যতালিকা প্রদর্শনের নিয়ম থাকলেও বাস্তবে তা কতটা কার্যকর এ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অনেক ক্রেতার অভিযোগ, দোকানে মূল্যতালিকা থাকলেও বাস্তব বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে তার মিল পাওয়া যায় না।
কোনো কোনো দোকানে ক্রেতাকে মুখে মুখে দাম বলা হয়। ফলে দরদাম করার সুযোগ তৈরি হয় এবং একই পণ্য ভিন্ন ক্রেতার কাছে ভিন্ন দামে বিক্রি হওয়ার অভিযোগও ওঠে।
সচেতন মহলের মতে, প্রতিটি বাজারে দৃশ্যমান স্থানে পণ্যের দৈনিক মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং নিয়মিত তদারকি করা গেলে ক্রেতাদের হয়রানি অনেকটাই কমতে পারে।
পাইকারি ও খুচরা দামের ব্যবধান খতিয়ে দেখার দাবি :
বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শুধু খুচরা দোকানে অভিযান চালালেই হবে না পাইকারি বাজার, আড়ত ও সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপ পর্যবেক্ষণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তাদের মতে, কোনো পণ্যের দাম উৎপাদন পর্যায়ে যদি ৭০ টাকা হয়, সেটি পরিবহন ও অন্যান্য যৌক্তিক খরচ যোগ করে খুচরা পর্যায়ে কত টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা তার একটি বাস্তবসম্মত হিসাব থাকা দরকার। এই হিসাবের বাইরে অস্বাভাবিক মুনাফা হচ্ছে কি না, সেটিও দেখা প্রয়োজন। কারণ শুধু খুচরা বিক্রেতাকে দায়ী করলে সমস্যার মূল জায়গা অচিহ্নিত থেকে যেতে পারে।
নিম্নবিত্তের সংসারে বাড়ছে চাপ :
নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে নিম্নআয়ের মানুষের ওপর। যাদের আয় নির্দিষ্ট এবং সীমিত, তাদের জন্য প্রতিদিনের বাজার খরচ বাড়া মানে অন্য কোনো প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানো।
অনেক পরিবার মাছ-মাংস কমিয়ে ডিম বা সবজির ওপর নির্ভর করার চেষ্টা করছে। কিন্তু ডিম ও সবজির দামও যদি বাড়তে থাকে, তাহলে সাশ্রয়ের পথও সংকুচিত হয়ে আসে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বাজারে পণ্যের দাম শুধু একটি অর্থনৈতিক বিষয় নয়; এটি মানুষের জীবনযাত্রা, পুষ্টি ও পারিবারিক বাজেটের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।
প্রশাসনের নজরদারি চান সাধারণ মানুষ :
বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্থানীয় প্রশাসন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার নিয়মিত নজরদারি চান হাটহাজারীর মানুষ।
তাদের দাবি, শুধু বিশেষ অভিযানের সময় নয়, সারা বছর বাজারের ওপর নজর রাখতে হবে। নিয়মিতভাবে পণ্যের পাইকারি ও খুচরা মূল্য সংগ্রহ করে তুলনা করা, মূল্যতালিকা প্রদর্শন নিশ্চিত করা এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ পেলে তদন্ত করা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে বাজারের ইজারা, দোকান বরাদ্দ, চাঁদা বা বিভিন্ন ধরনের অর্থ আদায়ের অভিযোগ থাকলে সেগুলোও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
‘বাজার কার নিয়ন্ত্রণে’ জানতে চায় মানুষ :
হাটহাজারীর বাজার নিয়ে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন বাজারের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ কার হাতে? যদি স্বাভাবিক বাজারব্যবস্থায় চাহিদা ও সরবরাহের কারণে দাম বাড়ে, তাহলে তার যৌক্তিক ব্যাখ্যা থাকা উচিত। আর যদি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যোগসাজশ করে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ায়, তাহলে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
সাধারণ মানুষের দাবি, বাজারে কে কত দামে পণ্য কিনছে, কত দামে বিক্রি করছে এবং মাঝখানে কত টাকা মুনাফা করছে এসব তথ্য সামনে আসুক।
স্বচ্ছ বাজারব্যবস্থাই সমাধানের পথ :
বিশ্লেষকদের মতে, নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্বচ্ছতা। উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত সরবরাহ চেইনের প্রতিটি ধাপে যৌক্তিক মূল্য ও মুনাফা নিশ্চিত করা গেলে বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ কমে আসে।
একই সঙ্গে বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ানো, অতিরিক্ত মজুত ও কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধ, নিয়মিত বাজার মনিটরিং এবং ভোক্তাদের অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করা প্রয়োজন।হাটহাজারীর বাজারগুলোতেও এমন একটি কার্যকর ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা।
শেষ কথা :
নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফেরানো এখন হাটহাজারীর মানুষের অন্যতম প্রধান দাবি। কাঁচা লইট্টা থেকে রুই, চিংড়ি থেকে রূপচাঁদা, মুরগি থেকে ডিম, আর মাছ-মাংস থেকে কাঁচা সবজি প্রতিদিনের খাবারের প্রায় প্রতিটি পণ্যের দাম নিয়ে ক্রেতাদের অভিযোগ বাড়ছে।
১০০ টাকার পণ্য ১২০ টাকা বা তারও বেশি দামে বিক্রি হওয়ার অভিযোগ যদি সত্য হয়, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই এই অতিরিক্ত অর্থের অংশ যাচ্ছে কোথায়?
তাই শুধু বাজারে গিয়ে কয়েকটি দোকানে জরিমানা নয়; পুরো সরবরাহব্যবস্থা, পাইকারি বাজার, আড়ত, ইজারা ব্যবস্থা এবং খুচরা বিক্রয় সবকিছু একসঙ্গে তদন্তের আওতায় আনার দাবি স্থানীয়দের।
হাটহাজারীর মানুষ চায় এমন একটি বাজার, যেখানে পণ্যের দাম হবে স্বচ্ছ, ব্যবসা হবে নিয়মের মধ্যে এবং কোনো সিন্ডিকেট বা প্রভাবশালী চক্র সাধারণ ক্রেতার পকেটের ওপর ছড়ি ঘোরাতে পারবে না।
বাজার মানুষের জন্য, সিন্ডিকেটের জন্য নয়। এখন দেখার বিষয়, সাধারণ মানুষের এই অভিযোগ ও ক্ষোভের পর প্রশাসন কতটা কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।
প্রকাশক : জুয়েল বড়ুয়া। সম্পাদক : দোলন বড়ুয়া, ই-মেইল : [email protected], যোগাযোগ : ০১৮১৯৩৩৯৫৬০
২০১৮ : সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।