1. admin@sathikkhabor.com : JbSknUo :
  2. 2015khokanctg@gmail.com : Rajib Khokan : Rajib Khokan
  3. ratanbarua67@gmail.com : Ratan Barua : Ratan Barua
  4. baruasangita145@gmail.com : Sangita Barua : Sangita Barua
শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন

করোনাকালে এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বাল্যবিয়ে বেশি বরগুনায়

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১২ মার্চ, ২০২১
  • ৩৯০ Time View

সঠিক খবর ডেস্ক : করোনাকালে এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সাত মাসে দেশের ২১টি জেলার ৮৪ উপজেলায় ৫০৮৯ জন অপ্রত্যাশিতভাবে গর্ভধারণ করেছেন। এরমধ্যে ১৩,৮৮৬টি বাল্যবিয়ে হয়েছে। যা দিনে গড়ে ১ দশমিক ৭। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি বাল্যবিয়ে হয়েছে বরগুণাতে ১৫১২টি, ১২৭২টি কুড়িগ্রামে, নীলফামারিতে ১২২২, লক্ষীপুরে ১০৪১ এবং কুষ্টিয়াতে ৮৮৪টি।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনে’র ‘বাল্যবিয়ের অবস্থা দ্রুত বিশ্লেষণ: করোনাকাল ২০২০’ শীর্ষক এক জরিপে এসব তথ্য উঠে আসে।

বৃহস্পতিবার এই জরিপ রিপোর্টটি এক ওয়েবিনারের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। জরিপটি পরিচালনা ও রিপোর্ট তৈরি করেছে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)। সহযোগিতা করেছে ইউএনএফপিএ, ইউনিসেফ এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল।

যেসব মেয়েরা বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছেন, তাদের মধ্যে শতকরা ৫০ দশমিক ৬ জনের বিয়ে হয়েছে ১৬-১৭ বছরের মধ্যে। শতকরা ৪৭ দশমিক ৭ জনের বিয়ে হয়েছে ১৩-১৫ এর মধ্যে। শতকরা ১ দশমিক ৭ জনের বিয়ে হয়েছে ১০-১২ বছর বয়সে।

বাল্যবিয়ের উদ্যোগ যারা নিয়েছেন, এরমধ্যে শতকরা ৭৮ জনই বাবা-মা। অথচ শতকরা ৯৬ ভাগ উত্তরদাতা মনে করেন, বাল্যবিয়ে বন্ধ হওয়া উচিৎ। বাল্যবিয়ে নিয়ে সচেতনতা ও চর্চার মধ্যে বড়ধরণের একটা পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়েছে এই জরিপে।

জরিপের তথ্য অনুযায়ী শতকরা ৩৭ শতাংশ বলেছেন করোনাকালে তারা তাদের আশেপাশে অন্তত একটি করে বাল্যবিয়ে দেখেছেন। বরগুণার শতকরা ৮৮ ভাগ মানুষ জানিয়েছেন তারা অন্তত একটি বাল্যবিয়ে প্রত্যক্ষ করেছেন এইসময়ে, লক্ষীপুরে শতকরা ৬৩, খুলনা ও নীলফামারিতে শতকরা ৫৬ জন।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বাল্যবিয়ের হার। যা শতকরা ৫৯ জন। বাল্যবিয়ের হার বেশি, বিশ্বের এরকম ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশও আছে।

মূলত বয়:সন্ধিকালের মেয়েদের ও তাদের অভিভাবকদের বাল্যবিয়ে সংক্রান্ত জ্ঞান বাড়ানোর জন্য, করোনাকালীন সময়ে বাল্যবিয়ের কারণগুলো কী ছিল, করোনাকালে বাল্যবিয়ে বন্ধে সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর কাজ কতটা কার্যকর হয়েছে এবং বাল্যবিয়ে বন্ধে নীতিনির্ধারণী পদক্ষেপ কী হতে পারে, এই বিষয়গুলোকে সামনে রেখেই এই জরিপটি চালানো হয়েছিল।

দেশের শতকরা ৩৩ ভাগ জেলায় করা এই জরিপে কথা বলা হয়েছে ১০-১৯ বয়সী অবিবাহিতা মেয়ে, ১৮ বছরের নীচে যাদের বিয়ে হয়েছে, সেইসব বাবা-মা, যাদের ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী মেয়ে আছে এবং সবধরণের সেবা প্রদানকারী সংস্থাসমূহের সাথে। তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে টেলিফোনে ও মুখোমুখি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে, এমজেএফের সহযোগী সংগঠনগুলো তথ্য সংগ্রহ করেছে।

ওয়েবিনারে সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর অরলা মারফি, জরিপের উপর মন্তব্য করেন ইউএনএফপিএ এর ডেপুটি রিপ্রেসেন্টিটিভ এইকো নারিতা ও ইউনিসেফের ডেপুটি রিপ্রেসেন্টিটিভ ভীরা মেনডোনকা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019
Design Customized By:Our IT Provider