1. admin@sathikkhabor.com : JbSknUo :
  2. 2015khokanctg@gmail.com : Rajib Khokan : Rajib Khokan
  3. ratanbarua67@gmail.com : Ratan Barua : Ratan Barua
  4. baruasangita145@gmail.com : Sangita Barua : Sangita Barua
সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন

অপ্রতিরোধ্য মাদকের বিস্তার : ‘বন্দুকযুদ্ধে’র ফল শূন্য

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৯ মার্চ, ২০২১
  • ৩৫৮ Time View

সঠিক খবর ডেস্ক : মাদকের নেশা ছেয়ে গেছে পুরো দেশজুড়ে। করোনাকালেও অপ্রতিরোধ্য মাদকের বিস্তার। ‘বন্দুকযুদ্ধ’, আত্মসমর্পণ, ঝটিকা অভিযান, ‘গায়েবি হামলা’, গ্রেপ্তার, মামলা- এসব ‘ওষুধ’ ব্যর্থ। নতুন কৌশলে এখন আরও চাঙ্গা সর্বনাশা মাদকের এই বাজার। বিশেষ করে ইয়াবার ছোট্ট বড়ি, প্লাস্টিকের বোতলভর্তি ফেনসিডিল কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। যদিও বহু আগে থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ জারি আছে।

যে কারণে মাদক কারবার অপ্রতিরোধ্য; দেশে প্রচলিত বৈধ মোবাইল ব্যাংকিং চ্যানেলে মাদকের অর্থ এক হাত থেকে অন্য হাতে যাচ্ছে। পরিচয় গোপন করে মাদক কারবারিরা মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টের মালিকানা নিয়ে নির্বিঘ্নে টাকা পাচার করছে। এ ছাড়া আরেকটি চক্র সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দুবাই ও মধ্যপ্রাচ্য হয়ে মিয়ানমারে থাকা ইয়াবা-মহাজনদের কাছে হুন্ডির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে মাদকের অর্থ পাঠাচ্ছে।

বহুধাপ বিপণন পদ্ধতি (এমএলএম) ও উগ্রপন্থিদের আদলে ‘কাট-আউট’ কৌশলে দেশে মাদক কারবার চলছে। মাদকের এ চেইনের নিচের দুই স্তরে রয়েছে বাহক ও ছোট কারবারি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আইনি ব্যবস্থার আওতায় আসছেন তারাই। রোজগারের নেশায় বারবার জীবনের ঝুঁকি নেন তারা। তবে মাদকের উচ্চধাপে যারা আছেন তারা থাকেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। তারা অনেকে উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। কেউ অর্থ বিনিয়োগকারী। আছেন মহাজন বা পাইকারি বিক্রেতা। তারা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পৃষ্ঠপোষকতা পান। উচ্চ পর্যায়ের এই সিন্ডিকেট দেশে-বিদেশে নিয়ন্ত্রণ করছে অতি লাভজনক মাদক ব্যবসা।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার সদরে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ইয়াবার চালান জব্দ করে পুলিশ। সাত বস্তাভর্তি ১৪ লাখ বড়ি পাওয়া যায়। এ ছাড়া চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে র‌্যাব বিভিন্ন অভিযানে ১৯ লাখ ১২ হাজার ৬৮১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে- পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবিসহ সব সংস্থা মিলে ২০২০ সালে দেশে ৩ কোটি পিস ইয়াবা বড়ি জব্দ করে। ২০১৯ সালে ৩ কোটি ৪ লাখ, ২০১৮ সালে ৫ কোটি ৩০ লাখ, ২০১৭ সালে ৪ কোটি ৭৯ হাজার পিস জব্দ করা হয়।

জাতিসংঘের মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (ইউএনওডিসি) তথ্য বলছে, বাংলাদেশে যত মাদক ঢুকছে তার মাত্র ১০ শতাংশ ধরা পড়ে। এই হিসাবে গত বছর দেশে ৩০ কোটি ইয়াবা বড়ি বিক্রি হয়েছে। গড়ে প্রতি বড়ি সর্বনিম্ন ১৫০ টাকা হিসাবে এর বাজারমূল্য ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এই অর্থের বেশিরভাগ চলে গেছে ইয়াবার মূল উৎসস্থল মিয়ানমারে। হিসাব ও গবেষণা বলছে, সব মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার বাজার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019
Design Customized By:Our IT Provider