1. admin@sathikkhabor.com : JbSknUo :
  2. 2015khokanctg@gmail.com : Rajib Khokan : Rajib Khokan
  3. ratanbarua67@gmail.com : Ratan Barua : Ratan Barua
  4. baruasangita145@gmail.com : Sangita Barua : Sangita Barua
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:১১ পূর্বাহ্ন

জমিদার তাড়িয়ে ভাড়াটিয়াকে, ঘরে তুলে দিলেন পুলিশ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৯৯ Time View

কে এম রাজীব : ঘর ভাড়া বকেয়া থাকায় ভাড়াটিয়াকে তাড়িয়ে দিলেন জমিদার। বাধ্য হয়ে শিশুদের নিয়ে ওই পরিবার ভাড়াটিয়া সারারাত বাস করলেন ফুটপাতে। খবর পেয়ে ভাড়াটিয়াকে ঘরে তুলে দিলেন মানবিক পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টার সময় নগরীর খুলশী থানাধীন লালখান বাজারের দুবাই কলোনিতে এমন ঘটনা ঘটার পর মানবিকতার এমন পরিচয় দেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (উত্তর) আবু বক্কর সিদ্দিক।

জানা যায়, লালখান বাজারের দুবাই কলোনিতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছেন ঘটনার শিকার শ্রীধাম দেবনাথ, তার বৃদ্ধা মা, বড় ভাই, বৌদি ও দুই ছোট ভাইপো। এ অবস্থায় বকেয়া ভাড়া পরিশোধ করতে না পাড়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার ওই পরিবারকে তাড়িয়ে দিয়ে ঘরে তালা লাগিয়ে দেন জমিদার মোঃ মোস্তফা।

এবিষয়ে জানতে চাইলে ঘটনার শিকার শ্রীধাম দেবনাথ বলেন, আমার বড় ভাই চট্টগ্রাম ওয়াসায় চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী ভাবে চাকরি করতেন।চাকরি করা অবস্থায় পানির মোটর বসাতে অনুমতির জন্য বাসার মালিক মো. মোস্তফা আমার বড় ভাইকে ৩০ হাজার টাকা দেন। সে টাকা আমার ভাই ওয়াসার জনৈক কর্মচারীকে দিয়ে মোটর বসানোর অনুমতি নেওয়ার চেষ্টা করেন। এর মধ্যে আমার ভাইয়ের চাকরির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়াতে সেই কাজ করা হয়নি, এবং অনেকবার ধরনা দিয়েও আমার ভাই টাকা ফেরত পাননি, যার ফলে বাসার মালিক আমার ভাইয়ের উপর ক্ষুব্ধ ছিলেন।

শ্রীধাম আরও বলেন, করোনার সংক্রমণের কারণে সরকারি ঘোষণায় লক ডাউন শুরু হলে আমার ভাই কর্মহীন হয়ে পড়েন। আমি টিউশনি করে কোনো ভাবে সংসার চালাতাম, সেটাও এখন বন্ধ। এর মধ্যে তিন মাসের ঘর ভাড়া ২১ হাজার টাকা বকেয়া হয়ে যাওয়াতে তা পরিশোধ করতে না পাড়ায় মালিক ঘরে তালা দিয়েছেন। আমার ভাই কাজের সন্ধানে বাইরে আছেন। এ অবস্থায় বৃদ্ধা মা, বৌদি ও দুই ভাইপোকে নিয়ে সারাদিন ঘরের সামনে অবস্থান করেও মালিককে বুঝাতে পারিনি। ঘরে ঢুকতে না পেরে সারারাত ওয়াসার মোড়ে ফুটপাতে বসেছিলাম।

শুক্রবার ১৬ এপ্রিল সকালে পুলিশের এডিসি ফোনে বিষয়টি জেনে পুলিশ পাঠিয়ে দুপুর ১২টার দিকে আমাদেরকে বাসায় তুলে দেন। তবে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বাসার মালিক মো. মোস্তফার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি বলে জানান।

এবিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের এডিসি (উত্তর) আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, করোনাকালে এমন ঘটনা সত্যি অমানবিক। আমি বিষয়টি জানার পর দ্রুত তাদের ঘরে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। ভাড়া বাকি থাকতেই পারে। তাই বলে এভাবে ঘর থেকে বের করে দেওয়া উচিত হয়নি। খুলশী থানা পুলিশ মধ্যস্ততা করছে। কিস্তিতে বকেয়া ভাড়ার টাকা পরিশোধ করার কথা বলা হয়েছে পরিবারটিকে। এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, সে ব্যাপারে বাসার মালিককে সতর্ক করা হয়েছে বলে জানান আবু বক্কর সিদ্দিক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019
Design Customized By:Our IT Provider