1. admin@sathikkhabor.com : JbSknUo :
  2. 2015khohanctg@gmail.com : Khokan Mazumder : Khokan Mazumder
  3. baruasangita145@gmail.com : Sangita Barua : Sangita Barua
জীবনের আলো - সঠিক খবর
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন

জীবনের আলো

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ১২৮ Time View

মিতা দাশ :
মোবাইল টা হাত থেকে রাখাই যায় না। সারাক্ষণ ম্যাসেজ আসতে থাকে। এ এক বিরক্তিকর ব্যাপার।
না,না এটা এক ধরনের ভালো লাগার ব্যাপার।লোপা মোবাইলে ম্যাসেজ লিখলো খেতে যায়। কিছুক্ষন ম্যাসেজ করতে পারবো না।
ও পাশ থেকে হিমেলের ম্যাসেজ আসে।কেন পারবে না? আমি খেতে খেতে করি না চ্যাট?
লোপা লিখলো,তুমি পারলেও আমি পারবো না। মোবাইল চার্জে দিয়ে গেলাম বাই।ফিরতি ম্যাসেজের অপেক্ষা না করে মোবাইল টা চার্জে বসিয়ে খেতে গেলো।
ডাইনিং এ এসে দেখে বাসার সবাই বসা।লোপাকে দেখেই মা রেগে বলতে লাগলো, মোবাইল টা তোর মাথাটা খেয়েছে। এবার জীবনটাও খাবে।
লোপা ও মাঝে মাঝে তাই ভাবে। কিন্তু কিছুতেই মোবাইলের এই নেশা ছাড়তে পারছে না।
খেতে খেতে মন চলে গেছে মোবাইলের দিকে।রিং হচ্ছে মোবাইলে। হিমেল ছেলেটা একটু না পেলেই ফোন করে বসে।
তাড়াতাড়ি খেয়ে উঠে গেলো লোপা।পেট ভরেছে কিনা,সে নিজেও জানে না।কি দিয়ে খেলো সেটাও খেয়াল করেনি। মা বলছিলো আরো তরকারি আছে। লাগবে না বলে উঠে গেলো।
দৌড়ে এসে ফোন ধরে দেখে পাঁচটা ম্যাসেজ ও দুইবার কল করেছে হিমেল।
তাড়াতাড়ি লোপা লিখলো, কি ব্যাপার, খেতে গেলাম না আমি তোমাকে বলে।তাহলে আবার ফোন কেন করো?
সবাই শুনলে কি ভাববে?
লোপা চিন্তা করছে এই ছেলেটা বেশি অস্থির। সে নিজেও অস্থির, আর লোপাকেও অস্থির করে রাখে।
মাত্র মাস খানেক হলো, হিমেলের সাথে কথা বলছে।এর ভেতর ই এত আপন হয়ে উঠলো, সেটা বলে বোঝাতে পারবে না কাওকে।
মোবাইলে হঠাৎ একদিন অচেনা নম্বর থেকে” Hi “আসলো। লোপা পাত্তা দিলো না।
আবার পরের দিন, কেমন আছেন? ম্যাসেজ আসলো।এবারও লোপা কিছু ই লিখলো না।
তারপর থেকে সারাদিনে নানা ম্যাসেজ আসতে লাগলো ম্যাসেন্জারের ঐ নম্বর থেকে।
এবার রেগে গিয়ে লোপা লিখলো কে আপনি?
আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী।
উত্তর আসলো।
লোপা লিখলো এমন শুভাকাঙ্ক্ষী আমি চাই না।
এভাবে বিরক্ত নিয়ে কথা শোনাতে গিয়ে ম্যাসেজে ম্যাসেজে হয়ে গেলো ভাব, তারপর বন্ধুত্ব আর এখন গভীর প্রেম।
লোপা এবার প্রোফাইল দেখতে চাইলো।
কি সুন্দর চেহারা, ব্যাংকের অফিসে সবাইকে নিয়ে কাজ করার ছবি। ও তাহলে হিমেল ব্যাংক ম্যানেজার।
লোপা অন্ধের মতো হিমেলের সব কথা বিশ্বাস করে। হিমেল অবশ্য এত সুন্দর করে বলে যে, কোন কথাই অবিশ্বাস করার মতো না।
সেই তখন থেকেই সারাদিন ম্যাসেজ করে করে এত ব্যস্ত করে রাখে যে এখন লোপারও সারাদিন ম্যাসেজ দেখতে দেখতে দিন কাটে।লোপা খুব মেধাবী একজন ছাত্রী। বিবিএস দেয়ার জন্য পড়ছে।
পড়াতে আগে ছিলো বেশ মনোযোগ। ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্সে ভালো করা ছাত্রী। সবাই জানে লোপা খুব ভালো ছাত্রী। সবার এটাও ধারণা সে বিসিএসে একবারই টিকে যাবে।
লোপা পড়ার অজুহাতে মোবাইলটা হাতে রাখতে পারে।বাবা মা খুব বিশ্বাস করে। পরিবারের বড় মেয়ে। তার ছোট বোন ও একটা ভাই আছে।বোনটা কলেজে আর ভাই দশম শ্রেণিতে পড়ে।
গভীর রাতে ফোন করে হিমেল তাই ছোট বোনকে এক ঘরে না রাখার জন্য মাকে বললো,বেশি রাত পর্যন্ত পড়তে হয় লোপাকে, ছোটবোন দীপা থাকলে ওর সমস্যা হয়।
মাকে বলে বলে ওকে রুম থেকে বের করে দিয়ে এখন লোপা রাত একটা,দুইটা মাঝে মাঝে তিনটা পর্যন্ত কথা বলে হিমেলের সাথে।
সবাই শুনলে ভাববে কি বলে এসব? এত কথা কি?
কিন্তু সত্যি ই হিমেলের নতুন নতুন চাহিদার সাথে কথাও বেড়ে চলে।
লোপা একেবারে ডুবে যায় হিমেলের প্রেমে।হিমেলের কন্ঠস্বরটা বেশ ভরাট ও সুন্দর করে কথা বলে।
হঠাৎ একদিন লোপাদের বাড়িতে লোপার খালাতো ভাই এসে লোপা কে দেখে পছন্দ করে বিয়ের তারিখ ঠিক করে ফেলে।লোপা জানতে পারে বিয়ে দুইদিন আগে।
লোপা আপত্তি করলেও কেউ শোনে না। লোপা বাধ্য হয়ে রাতের আঁধারে পা বাড়ায় তার সব নিয়ে।
লোপা যখন এই বিয়ে ভাঙতে পারছিলো না,তখন হিমেলকে জিজ্ঞেস করেছিলো আচ্ছা, আমি যদি হঠাৎ করে তোমার কাছে চলে আসি তাহলে তুমি কি মেনে নিবে?
হিমেল ভাবলো লোপা মজা করছে, তাই সে বললো,আজই চলে আসো।আমার ঠিকানা দিয়ে দিচ্ছি। তোমাকে পাওয়া তো আমার জন্য স্বর্গ পাওয়া।
লোপা ঠিকানা অনুসারে দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে রাতের বেলা রওনা দিলো।
দিনাজপুর গিয়ে যখন পৌঁছাল তখন দুপুর শেষ হয়ে বিকেল।তবে ভাগ্য ভালো ব্যাংক বন্ধ হয়নি।তাড়াতাড়ি ব্যাংকে ঢুকে চারিদিকে তন্ন তন্ন করে খুঁজেও হিমেলকে কোথাও দেখে না।ব্রাঞ্জ ম্যানেজারের রুমে গিয়ে হিমেলের ছবি দেখিয়ে জিজ্ঞেস করলে জানায় উনি একজন এখানের বড় ব্যবসায়ী। এখানে লেনদেন করতে প্রায়ই আসে।
লোপা কিছু ই বুঝতে পারছিলো না। তবু ঐ লোকের ঠিকানা নিয়ে যখন ঔ ব্যবসায়ীর বাসায় পৌছালো তখন সন্ধ্যা নেমে গেছে।
লোপা বাসায় ঐ ভদ্রলোকের সাথে দেখা করলে তিনি লোপাকে চিনেন না বলে জানিয়ে দিলেন।লোপা দেখলো ভদ্রলোকের স্ত্রী আছে একটা তিন বছরের ছেলেও আছে। লোপার মাথা ঘুরিয়ে পড়ে গেলো।
যখন ঞ্জান ফিরলো তখন কিছু ই বুজে উঠতে পারছে না।ভদ্রলোক ও তার স্ত্রী লোপাকে একগ্লাস শরবত খেতে দিয়ে আস্তে আস্তে সব জেনে নিলেন।
ব্যবসায়ী ভদ্রলোকের নাম ফয়সাল।তিনি নিজেও বুঝতে পারছে না, তার ছবি দিয়ে কে এই আইডি চালাচ্ছে?
তিনি থানায় নিয়ে গেলেন লোপাকে।থানায় ঐ প্রোফাইলে ঢুকতেই পারছে না।পুলিশ
ইন্সপেক্টর লোপাকে বললেন,আপনি একটা কল দিন ঐ লোকের মোবাইল নম্বরে।
লোপা বললো,কোন ফোন নম্বর তো দেয়নি।শুধু ম্যাসেন্জার থেকে কথা হতো।
লোপাকে বললো,ম্যাসেন্জার থেকেই দেন কল।লোপার মোবাইলে কোন ইন্টারনেট ডাটাতে টাকা ছিলো না।বাসায় তো Wifi থাকে সর্বক্ষণ। তাই আলাদা করে নেটের জন্য টাকা লাগে না।এই এতক্ষণ হিমেলকে ফোন দিতে না পারার এটাই কারণ ছিলো।
পুলিশ ইন্সপেক্টর লোপাকে অনেক গালমন্দ করলো।একজন শিক্ষিত মেয়ে হয়েও এই ধরনের ভুল করার জন্য।
লোপা কাঁদছে।ইন্সপেক্টর আরো গালি দিচ্ছে, বাবা মাকে না বলে বের হওয়ার জন্য। লোপার মোবাইলে ইন্সপেক্টরের থেকে টাকা দিয়ে বললো এবার কল করুন। ডাটা অন হতেই অনেক গুলো ম্যাসেজ।
পুলিশ ইন্সপেক্টর সব পড়ে বললো,আমরা লোকেশন বোঝার চেষ্টা করছি, আপনি ফোন করুন। লোপা ফোন দিতেই হিমেল বললো,কি হলো জান,তুমি আজ সারাদিন কোথায় ছিলে? তোমাকে ম্যাসেজ দিতে দিতে আমি নিজেই পাগল হয়ে গেছি।
লোপা বললো,আমি দিনাজপুর আসছি,তুমি আমাকে দিনাজপুরের সদর থানার পাশ থেকে নিয়ে যাও।
কি? কোথায় তুমি?
কেন মিথ্যা বলছো?
হিমেলের গলায় আতঙ্কিত হওয়ার সুর যেন বেজে উঠলো।

লোপা যখনি আবার বললো,সত্যি ই আমি দিনাজপুর আসছি। তুমি না বলেছো চলে আসতে,তাই।
হিমেলের লাইন কেটে দিলো।পুলিশ ফোনের লোকেশন খুঁজতে শুরু করলো। হঠাৎ দেখলো দিনাজপুরের মধ্যেই।
ইন্সপেক্টর লোপাকে থানায় বসতে বলে ফয়সাল সাহেবকেও থাকতে বলে বের হয়ে গেলেন।
লোপার মোবাইলে বাসা থেকে ফোন করছে সকাল থেকেই। লোপা ফোন ধরছিলো না।থানায় যখন বারবার ফোন বেজে উঠছিলো তখন ফয়সাল সাহেব বললেন, বাসার ফোনটা ধরেন।
লোপা কাঁদতে কাঁদতে বললো, আমি পারবো না। ওদের বিশ্বাস, আশা,সব ভেঙে আমি কোন কথায় ই চিন্তা না করে এরকম সিদ্ধান্ত নেয়া ঠিক হয়নি।আমি কোন মুখে ওদের সাথে যোগাযোগ করবো?
ফয়সাল সাহেব লোপার হাত থেকে ফোনটা নিয়ে বাইরে গিয়ে কি যেন সব বললো।লোপা ভাবছে কি সুন্দর একটা জীবন আমার, আমি নিজের হাতেই নষ্ট করে দিলাম।
আর এ মুখ বাবা মাকে দেখানো যাবে না।আমি আর ফিরতে পারবো না। কি করবো এখন? হিমেল কোথায় তুমি?
রাত ১২টায় পুলিশ ইন্সপেক্টর কয়েকজন কে ধরে নিয়ে আসলো থানায়। তাদের দাড় করিয়ে সবার মোবাইল বের করে দেখতে দেখতে একটা মোবাইলে দেখলো ফয়সাল সাহেবের ছবি দিয়ে আইডি চালায় রিকশা চালক মুবিন।দেখতে বেঁটে, কালো কেমন যেন চোখে মুখে ধূর্ততা।
পুলিশ ইন্সপেক্টর লোপাকে বললো,এই যে আপনার সাথে চ্যাট করা মোবাইল। আর এই যে মালিক হলো রিকশা চালক মুবিন।
লোপা রাগ সামলাতে না পেরে বসা থেকে দাঁড়িয়ে ছেলেটির কাছে গিয়ে বললো,তুই এতদিন আমাকে এত বিরক্ত করতিস?
কথা বল,কি তুই এই কাজ করেছিস?
কোন উত্তর না পেয়ে ঠাঁস করে একটা চড় বসিয়ে দিলো। লোপাকে থামতে বলে,ইন্সপেক্টর বললেন এরা ফেইক আইডি খুলে এভাবে মানুষকে ফাসিয়ে তাদের সব কেড়ে নেয়,নিঃস্ব করে ছাড়ে।
লোপা ভাবছে সত্যি ই সব নিঃস্ব করে কেড়ে নি লোপার জীবন থেকে এই শয়তান মুবিন।।এত সুন্দর জীবনটাকে তছনছ করে দিয়ে ওকে শূন্য করে দিলো।
লোপা যখন উঠে চলে যেতে চাইলো,তখন ফয়সাল সাহেব ও ইন্সপেক্টর সাহেব বললেন খবরদার আপনি একা বের হবেন না। আমরা আপনাকে দিয়ে আসবো।

ভোরের আলো ফুটছে।চারিদিকে অন্ধকার সরে গিয়ে কি সুন্দর আলোকিত হয়ে উঠছে সবদিক।কিন্তু লোপার মনে হলো ওর জীবন অন্ধকারে ঢেকে গেছে সেখানে আর আলোর দেখা মিলবে না।লেখাপড়ার জন্য কখনো ভালোবাসার হাতছানি পাওয়া সত্ত্বেও ধরা দেয়নি সে। আর আজ এমন একজনকে ভালোবাসলো সে কিনা ঠক, প্রতারক, অশিক্ষিত নোংরা লোক।কি করবে সে। কোথায় গিয়ে নিজেকে লুকাবে বুঝতে পারছে না।
এই যে লোপা ম্যাডাম আপনার বাসা কোনদিকে?
লোপা যেন স্বপ্ন থেকে বাস্তবে নেমে পড়লো।
না স্যার, আমি বাসায় যেতে পারবো না। আমার বাবা মা খুব ভালো মানুষ ওদের সম্মান নষ্ট করেছি আমি। ওদের সামনে আমি দাড়াতে পারবো না।
ফয়সাল সাহেব লোপার বাসায় ফোন করে ঠিকানা জেনে ঐখানে গাড়ি থামতে বললো।
গাড়ি থামার সাথে সাথে লোপার বাবা, মা, বোন, ভাই সবাই ছুটে আসলো।পাগলি মেয়ে আমার বিসিএস পরীক্ষা দেয়ার জন্য, বিয়ে করবি না এটা আমাদের বললেই তো হতো।আমরা বিয়ে দিতাম না।সব কিছু স্বাভাবিক মনে হলো লোপার।
সবাই যখন একিই কথা বলে ওকে শান্ত্বনা দিচ্ছে তখন লোপা ফয়সাল সাহেবের দিকে তাকালো।ফয়সাল সাহেব চোখ ঈশারা করলো।
সবাই লোপাকে আদর করে ঘরে নিলো।সোফায় সবাই বসলো,লোপার বাবা বললো,ছোট কাল থেকে মেয়েটার লেখাপড়ার প্রতি খুব ঝোঁক।পড়াশোনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত খেতো না।এখনো তাই করলো,মেয়েটা বিয়ে করলে পরীক্ষার ক্ষতি হবে এই ভেবে কাওকে কিছু না বলে একেবারে বান্ধবীর বাসায় চলে গেলো? এটা কেমন হলো?তাও এতদূর?

আমাকে তো বলতেই পারতো বাবা হিসেবে। ।ভাগ্যিস ফয়সাল বাবা বুঝিয়ে বললো,তাই আমাদের ভুল ধারণা ভাঙলো।
ইন্সপেক্টর সাহেব ও কথায় সায় দিলেন আর কিছু বললেন না। একসাথে সবাই মিলে নাস্তা করলো।লোপা তখনো ঘোরের মধ্যে বসে আছে।এর ভেতরে সে তার নিজের রুমে এসে বিছানায় বসে ভাবতে লাগলো,পৃথিবীতে ফয়সাল সাহেব ও ইন্সপেক্টরের মতোও লোক কি আছে? নাকি সব কল্পনা?
আসবো?
চলে যাচ্ছি আমরা। যাওয়ার আগে একবার দেখা করতে আসলাম। ফয়সাল সাহেবের রুমে এসে এমন কথা বলাতে তাড়াতাড়ি লোপা নেমে বললো,আমি আসলে কম মানুষের সাথে মিশেছি।কিন্তু আপনার মতো এত ভালো মনের মানুষ আমি আগে কখনো দেখিনি। আপনি আমার ভুলটা কি সুন্দর করে ঢেকে দিলেন। চোখ থেকে অশ্রু গড়িয়ে পড়লো লোপার।
ফয়সাল সাহেব চারিদিকে তাকিয়ে গলা নিঁচু করে বললো, আমার ও কিছু করা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে কিনা?
এতদিন আপনি না জেনেই আমার ছবিকে ভালোবেসেছেন তার তো কিছু প্রতিদান আমার দিতেই হয়।
যদি ও আমি এর সাথে নেই তবু আমার ছবি তো ছিলো, তাইনা?
এবার আপনি মন দিয়ে পড়ে বিসিএস পরীক্ষাটা দিয়ে নিন।ভালো থাকবেন।
আপনার মতো এত ভালো লোক হয় না।পেছন থেকে ইন্সপেক্টর ও বললো,ম্যাডাম আমরাও কম ভালো না? একসাথে তিনজনই হেসে উঠলো।
উনারা চলে যাচ্ছেন, গাড়ী ক্রমাগত দূরে বহুদূরে গিয়ে মিলিয়ে গেলো,সংঙ্গে লোপার জীবনের কিছু কালীমামাখা দিনের কালো ও যেন নিয়ে গিয়ে নতুন দিনের আলো দিয়ে গেলো। মা মাথায় হাত রেখে বললো,আর কখনো এধরণের কিছু করিস না।আমরা তোর সব কথা এখন থেকে শুনবো মা।
লোপা শুধু ভাবছে,কেমন দিন হওয়ার কথা ছিলো আজ,আর আজ কত সুন্দর করে দিয়ে গেলো ফয়সাল সাহেব লোপার জীবনের দিনগুলোকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019
Design Customized By:Our IT Provider