1. admin@sathikkhabor.com : JbSknUo :
  2. 2015khokanctg@gmail.com : Rajib Khokan : Rajib Khokan
  3. ratanbarua67@gmail.com : Ratan Barua : Ratan Barua
  4. baruasangita145@gmail.com : Sangita Barua : Sangita Barua
সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন

জানতে হবে কিডনি ভালো রাখার উপায়, প্রতিরোধ করতে হবে কিডনি বৈকল্য : ডা: নূর উদ্দিন জাহেদ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৭ মে, ২০২৪
  • ৯০ Time View

রাউজান প্রতিনিধি : কিডনির রোগ নিয়ে কি কেবল কিডনি রোগীরা সচেতন হবেন? নিশ্চয়ই নয়। কিডনি রোগ একটি নীরব ঘাতক। নীরবে কারও কিডনি বিকল হতে থাকলেও তেমন কোনো শারীরিক সমস্যা অনুভব করা যায় না। যখন যায়, তখন হয়তো রোগটি জটিল অবস্থায় চলে গেছে। তাই যেকোনো সুস্থ মানুষকেও জানতে হবে কিডনি ভালো রাখার উপায়, প্রতিরোধ করতে হবে কিডনি বৈকল্যকে। কসমিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতাল কর্তৃক আয়োজিত কিডনি রোগ বিষয়ে সচেতনতা শীর্ষক এক আলোচনা সভায় কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ ডা: নূর উদ্দিন জাহেদ এসব কথা বলেন।

বুধবার সকালে রাউজান গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমবায় সমিতির সমন্বয়ে উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কসমিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতালের ডি এম ডি মো: নাছির উদ্দীন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কসমিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতালের
ম্যানেজার রাজীব বড়ুয়া।

এসময় প্রধান আলোচক ডা: নূর উদ্দিন জাহেদ বলেন, কিডনি ভালো রাখতে সবারই পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে। এই পানি অবশ্যই হতে হবে নিরাপদ। অসুস্থতায় (জ্বর, ডায়রিয়া, বমি প্রভৃতি) এবং ব্যায়ামের পর পানির চাহিদা বাড়ে। বিশেষত ডায়রিয়া বা বমি হলে পর্যাপ্ত পানি, স্যালাইন এবং অন্যান্য তরল খাবার খেতে হবে অবশ্যই। গর্ভবতী এবং স্তন্যদায়ী মায়ের জন্যও পানির চাহিদা বেশি। আবহাওয়ার পরিবর্তনে পানির চাহিদা কমবেশি হয়। এছাড়া ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

রোজ অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন (রোজ না পারলেও সপ্তাহের অধিকাংশ দিন)। হাঁটা, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো, ফ্রি-হ্যান্ড ব্যায়াম ভালো।

ধূমপান, পান-জর্দা, অ্যালকোহল বর্জনীয়। ধূমপায়ীর কিডনিতে রক্তসঞ্চালন কমে যায়। কিডনির কর্মক্ষমতা কমে যায়। ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ে।পর্যাপ্ত ঘুম চাই রোজ। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন না করাই ভালো। বিশেষত ব্যথানাশক সেবন করা একেবারেই উচিত নয়।

৪০ বছর বয়স পেরোনোর পর কোনো সমস্যা না থাকলেও সবারই বছরে একবার রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তের চর্বি এবং প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষা করানো উচিত (প্রস্রাবে প্রোটিন এবং সুগারের উপস্থিতি নির্ণয় করার জন্য)। এ ছাড়া কিডনির কর্মক্ষমতা দেখার জন্য রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত। উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের ৩২ শতাংশ জানেনই না যে তিনি উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। আবার জানা থাকার পরও অর্ধেক মানুষেরই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে নেই। শেষ পর্যন্ত মোট রোগীর মাত্র ২৫ শতাংশ পারছেন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে। একই ধরনের কথা ডায়াবেটিসের জন্যও প্রযোজ্য। প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ জানেনই না তিনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। কিন্তু এই রোগগুলো থাকার কারণে রোগীর কিডনি ধীরে ধীরে কর্মক্ষমতা হারাচ্ছে নীরবে।

ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হয়ে থাকলে কিংবা রক্তের চর্বি বেড়ে থাকলে অবশ্যই তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। কিডনি বিকলের প্রধান কারণ এগুলোই।

কিডনির রোগের লক্ষণগুলোকে জানতে হবে। এদের মধ্যে ক্ষুধামান্দ্য, বমিভাব, প্রস্রাব কম হওয়া, পায়ে পানি আসা প্রভৃতি হতে পারে কিডনি রোগের লক্ষণ। লক্ষণ দেখা দিলেই চিকিৎসা নিন।

যেকোনো দীর্ঘমেয়াদি রোগের ক্ষেত্রে করণীয়-বর্জনীয় বিষয়গুলো এবং রোগের জটিলতার লক্ষণ সম্পর্কে চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিন। রোগীর পরিবার কিংবা রোগীর সেবা দেন যিনি, তাঁদেরও বিষয়গুলো জানা খুবই দরকার বলে জানান ডা: নূর উদ্দিন জাহেদ।

অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতা করেন দেশের সুনামধন্য ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এস কে এফ ফার্মাসিটিক্যালস্ লিমিটেড।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019
Design Customized By:Our IT Provider