
কয়েকদিন ধরে বাড়ির প্রধান গেটে তালা ঝুলতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। শনিবার রাতে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা ভেঙে বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় ভেতরে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মরদেহগুলো আনুমানিক তিন থেকে চার দিন আগের। দীর্ঘ সময় পড়ে থাকায় মরদেহগুলোতে পচন ধরেছে।
রংপুর সিআইডির ইনচার্জ সুমির চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিন থেকে চার দিন আগে তাদের মৃত্যু হয়েছে। পচন ধরায় মরদেহগুলো অনেকটা গলে গেছে।
তিনি জানান, বাড়ির বিভিন্ন স্থানে টাকা-পয়সা ও গহনা রাখার জায়গাগুলোর তালা ভাঙা পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটতে পারে। তবে ডাকাতির সঙ্গে চারজনের মৃত্যুর ঘটনা কীভাবে সম্পৃক্ত, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সিআইডির এই কর্মকর্তা আরও জানান, বাড়িটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। এ কারণে ঘটনাস্থলে তদন্ত ও আলামত সংগ্রহে কিছুটা সময় লাগছে। কীভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে এবং এর পেছনে কারা রয়েছে, তদন্তের মাধ্যমে তা বেরিয়ে আসবে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত গণপতি চক্রবর্তীর গ্রামের বাড়ি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ১৬ নম্বর মির্জাপুর ইউনিয়নে।
একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের মৃত্যুর কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।












