
সঠিক খবর ডেস্ক : সমাজের অবহেলিত ও অসহায় প্রবীণদের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে চট্টগ্রামে বেওয়ারিশ মানবসেবা বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দাদের নিয়ে ‘এক মুঠো ভালোবাসা’ শীর্ষক মানবিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নান্দনিক চট্টলা।
গতকাল অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বৃদ্ধাশ্রমের প্রবীণদের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি তাঁদের জন্য রাতের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। একই সঙ্গে চাল, ডাল, তেল, আলুসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী উপহার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল আজিজ এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমির জেলা কালচারাল অফিসার সৈয়দ মুহম্মদ আয়াজ মাবুদ।
নান্দনিক চট্টলার প্রেসিডেন্ট ইলিয়াছ রিপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বেওয়ারিশ মানবসেবা বৃদ্ধাশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান গোলাম রহমান চৌধুরী।
এ সময় বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির চেয়ারম্যান আবু তাহের চৌধুরী, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের ট্রেজারার প্রিন্সিপাল সানা উল্লাহ, বিশিষ্ট সংগঠক ও মানবিক ব্যক্তিত্ব এম এ সবুর, সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন ডাঃ আর কে রুবেল, জালালাবাদ চক্ষু হাসপাতালের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, নান্দনিক চট্টলার উপদেষ্টা মুরাদ চৌধুরী, আশার আলো মানবিক ফাউন্ডেশনের সভাপতি আব্দুল নুর, প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সালমান, যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ও মাইন উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুর, সাংবাদিক রতন বড়ুয়া, মানবিক ব্যক্তিত্ব বায়েজিদ ফরায়েজী, মনির আহম্মদ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান একিউএম মুসলেহ উদ্দিন, এস আর সলুশনের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সিকদার, আশার আলো মানবিক ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির মহাসচিব সোমা মুৎসুদ্দি, নান্দনিক চট্টলার কো-অর্ডিনেটর সাবরিনা আফরোজা, সেক্রেটারি ঝিমি চাকমা ঝুম, সমন্বয়ক তানজিন নিপা ও কণিকা।
আয়োজকেরা বলেন, জীবনের শেষ সময়ে এসে অনেক প্রবীণই পরিবার ও সমাজের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। তাঁদের নিঃসঙ্গতা দূর করে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও আনন্দের কিছু মুহূর্ত উপহার দেওয়াই ছিল ‘এক মুঠো ভালোবাসা’ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
তাঁরা আরও বলেন, সমাজের অসহায় ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু দায়িত্ব নয়, এটি মানবিক মূল্যবোধেরও প্রকাশ। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আয়োজকেরা।












